কঠিন পরীক্ষার পর শেষে বিকেলে হাসল ইয়াসিররা

0
152

উইকেটে জমে গিয়েছিলেন এইডেন মার্করাম এবং রাসি ভ্যান ডার ডাসেন। তাদের বিপক্ষে পাকিস্তানের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসছিল না। কিন্তু শেষ বিকেলে এই দুজনসহ ফাফ ডু প্লেসিকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান ইয়াসির শাহ এবং নওমান আলী। করাচি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৮৭। ২৯ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থ দিন খেলতে নামে প্রোটিয়ারা।

এদিন পাকিস্তানের বোলারদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছেন ডাসেন এবং মার্করাম। মন্থর ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের সব পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়ায় ব্যস্ত ছিলেন দুজন। কিন্তু শেষ বিকেলে ধৈর্য হারিয়ে চতুর্থ দিন নতুন ব্যাটসম্যানদের দিকে চেয়ে থাকতে হবে এখন মার্ক বাউচারের শিষ্যদের। ২২৪ বলে ৭৪ করে নওমান আলির বলে আবিদ আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মার্করাম। এর আগে ডাসেন ফিরেছেন ইয়াসির শাহর ওভারে আবিদের হাতে ক্যাচ দিয়েই। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬৪ রান। এই দুজনের জুটি ছিল ১২৭ রানের।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৪৮ রান তুলতেই ডিন এলগারকে হারিয়ে বসে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৯ রানে ইয়াসিরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন এই ওপেনার। এরপর শুরু হয় ডাসেন এবং মার্করামের সংগ্রাম। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এই দুজন ব্যাট করেছেন ৫১ ওভার। ১৭৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর খানিক পর ফাফ ডু প্লেসিকে ১০ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন ইয়াসির। দিনের খেলা শেষ হওয়ার ঠিক ১৫ বল আগে মার্করামকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান নওমান। নাইট ওয়াচম্যান কেশভ মহারাজ ০ এবং কুইন্টন ডি কক ৮ রানে ক্রিজে আছেন। ইয়াসির ৫৩ রানে ৩টি এবং ২৭ রানে নেন এক উইকেট। এছাড়া হাসান আলী, ফাহিম আশরাফ এবং শাহিন আফ্রিদি এদিন ছিলেন উইকেট শূন্য।

এর আগে দিনের শুরুতে ৮ উইকেটে ৩০৮ রান নিয়ে খেলতে নেমে আরও ৭০ রান স্কোরবোর্ডে যোগ করে পাকিস্তান। হাসান ২১, নওমান ২৪ এবং ইয়াসির অপরাজিত থাকেন ৩৮ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন মহারাজ এবং রাবাদা। প্রথম ইনিংসে সফরকারীরা অল আউট হয়েছিল ২২০ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা (প্রথম ইনিংস): ৬৯.২ ওভারে ২২০ অল আউট (এলগার ৫৮, লিন্ডে ৩৫) (ইয়াসির ৩/৫৪)
পাকিস্তান (প্রথম ইনিংস): ১১৯.২ ওভারে ৩৭৮ অল আউট (আজহার ৫১, ফাওয়াদ ১০৯) (রাবাদা ৩/৭০)
দক্ষিণ আফ্রিকা (দ্বিতীয় ইনিংস): ৭৫ ওভারে ১৮৭/৪ (ডাসেন ৬৪, মার্করাম ৭৪) (ইয়াসির ৩/৫৩)

 

 

অর্থসূচক/এএইচআর