করাচিতে তোপের মুখে পাকিস্তান

0
168

দক্ষিণ আফ্রিকাকে অল্প রানে আটকে দিয়েও দিনের শেষটা ইতিবাচক করতে পারেনি পাকিস্তান। শেষ বেলায় অধিনায়ক বাবর আজমকে হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৩ রান। করাচি টেস্টের প্রথম দিন শেষে সফরকারীরা এগিয়ে আছে ১৮৭ রানে।

প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২২০ রানে অল আউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়া বোলারদের তোপের মুখে পরে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ১৫ রান তুলতেই ফিরে যান অভিষিক্ত ইমরান বাট এবং আবিদ আলী।

বাবর আজম এবং আজহার আলী মিলে দিনের খেলা শেষ করার জন্য এগোতে থাকলেও শেষ বিকেলে এসে আঘাত হানেন কেশভ মহারাজ। বাবরকে লেগ বিফরের ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার। ৭ রানে অধিনায়ককে হারিয়ে নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে পাঠায় পাকিস্তান। কিন্তু তাদের এই পরিকল্পনাও বিফলে যায়। অ্যানরিক নরকিয়ার ইয়র্কারে বোল্ড হন তিনি। ০ রানে ফেরেন প্যাভিলিয়নে।

এরপর আজহার এবং ফাওয়াদ মিলে দিনের খেলা শেষ করেন। আজহার অপরাজিত থাকেন ৭ রানে, ফাওয়াদ করেন ৫ রান। কাগিসো রাবাদা ২টি এবং মহারাজ ও নরকিয়া শিকার করেন একটি করে উইকেট। ৪ উইকেটে ৩৩ রান নিয়ে দিন শেষ হয় পাকিস্তানের।

এর আগে ১৪ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষেই যায় টস ভাগ্য। অধিনায়ক ডি ককের সিদ্ধান্তে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে হাত খুলেই ব্যাট করেন দুই ওপেনার ডিন এলগার এবং এইডেন মার্কাম। তবে পঞ্চম ওভারে স্কোরবোর্ডে ৩০ রান তোলার পরই ফেরেন মার্কাম। খানিক পর রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ফিরে যান রান আউট হয়ে। দুই উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের বোলারদের তোপের মুখে পরে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। হাফ সেঞ্চুরি পেয়ে ফেরেন এলগার। দলীয় সর্বোচ্চ ৫৮ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

এছাড়া ডু প্লেসি ২৩, জর্জ লিন্ডে ৩৫ এবং শেষের দিকে কাগিসো রাবাদা স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ২১ রান। ৬৯.২ ওভারে ২২০ রানে গুটিয়ে যায় ডি ককের দল। পাকিস্তানের হয়ে ৫৪ রানে ৩ উইকেট নেন ইয়াসির শাহ। অভিষিক্ত নউমান আলি এবং শাহীন আফ্রিদি নেন ২টি উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা- প্রথম ইনিংস: ৬৯.২ ওভারে ২২০ অল আউট (এলগার ৫৮, লিন্ডে ৩৫) (ইয়াসির ৩/৫৪)
পাকিস্তান- প্রথম ইনিংস: ১৮ ওভারে ৪/৩৩ ( আজহার ৭*, ফাওয়াদ ৫*) (রাবাদা ২/৮)

 

অর্থসূচক/এএইচআর