বিএনপি বারবার প্রতারণা ও চাতুর্যের আশ্রয় নিচ্ছে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
113
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তির প্রতিভূ বিএনপি বারবার প্রতারণা ও চাতুর্যের আশ্রয় নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, তাদের (বিএনপি) চাতুর্য আছে কিন্তু নৈতিকতা নেই। জনগণের মুখোমুখি দাঁড়াবার সৎ সাহস এবং রাজনৈতিক অবস্থানও নেই। বিএনপি নেতারা হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে চিরাচরিত মিথ্যাচারের রেকর্ড বাজাচ্ছে। তারা শীত নিদ্রায় রয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে এগিয়ে চলছে।

‘কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত সাম্প্রদায়িক শক্তি।’

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মে নেতৃত্ব দেবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

এ সময় ৩য় ও ৪র্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচন করতে চাচ্ছে, তাদেরকে দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করে অনতিবিলম্বে সরে দাঁড়াতে কঠোর নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীর হয়ে কাজ করতে হবে। যারা বিদ্রোহ করছে বা করবে, তাদের আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। দলের সিদ্ধান্ত মেনেই রাজনীতি করতে হবে।

বহুধা বিভক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ করে অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশবিরোধী অপশক্তি মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা নস্যাৎ করার অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এই অপশক্তি গণতন্ত্র, প্রগতি ও উন্নয়নের প্রধানতম প্রতিবন্ধক। মুক্তিযোদ্ধারা আজ দৃশ্যত বিভক্তির মধ্যে আছে, এ বিভক্তি মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ও চেতনাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান রশীদুল আলম, সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ।

অর্থসূচক/কেএসআর