রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ১০

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তীব্র পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রুশ হামলায় ইউক্রেনে চারজন এবং ইউক্রেনীয় হামলায় রাশিয়া ও রুশ-অধিকৃত এলাকায় ছয়জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাতভর রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সুমি শহরে পৃথক রুশ হামলায় আরও দুজন নিহত হন।

অন্যদিকে, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। আঞ্চলিক গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ জানান, হামলায় দুটি শিল্প স্থাপনা ও একটি তেল শোধনাগারে আগুন ধরে যায়।

রুশ নিয়ন্ত্রিত জাপোরিঝিয়ার অংশেও ইউক্রেনীয় হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।

এদিকে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের ওডেসা বন্দরের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি পণ্যবাহী জাহাজ এবং একটি লজিস্টিকস কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

এর আগে শুক্রবার কিয়েভে রুশ হামলায় সাতজন নিহত ও ৫৮ জন আহত হন। হামলায় ইউক্রেনের বৃহত্তম ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আর্সেলর মিত্তালের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, হামলায় তাদের পাঁচ কর্মী নিহত হয়েছেন এবং স্থাপনাগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো ও শিল্প স্থাপনা লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। একই দিনে পার্ম ও নোভোশাখতিনস্কের তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলায় উৎপাদন সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

চলমান হামলার মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, রাশিয়ার হামলা আরও ভয়াবহ হলে যুদ্ধ যাতে গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.