ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই তাঁর ফাঁসি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পালিয়ে থাকা ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় বিচার করা হবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর শাহবাগে বসবাসকারী অসহায় বৃদ্ধ গোলাপী বেগমের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘যখন বাংলাদেশে আসবে, ফাঁসি হবে।’ তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরবেন—এমন কথা মাঝেমধ্যে শোনা যায়। তবে তিনি যেকোনো সময় দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তাঁকে গ্রহণ করা হবে এবং বিচার হবে।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে মানবতাবিরোধী আচরণ করেছেন, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে।’
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাসহ তাঁর সহযোগীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিবেশী দেশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রশিদুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে মানবিক নেতা হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন। তবে রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা স্বাভাবিক করতে সময় প্রয়োজন। তাঁর দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশ অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সংকট রয়েছে।
বিগত সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় কাজ না করে বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এসব কেন্দ্র চালু থাকুক বা না থাকুক, অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে এবং বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.