ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার সর্বশেষ হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরটির মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। এমন এক সময়ে এই হামলা হলো, যখন ইউক্রেন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির মুখোমুখি।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, শহরজুড়ে রাতভর হামলা হয়েছে। আবাসিক ভবন ও গুদামঘরগুলো হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া একটি শিশু হাসপাতাল ও একটি স্কুলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কিয়েভে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের সামনে বিবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেন, ইউক্রেনের গোলাবারুদ, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। আমাদের অংশীদারদের সমর্থন দরকার। এসব সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য কিয়েভ পশ্চিমা মিত্রদের ওপর নির্ভরশীল।
দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, যতদিন ইউক্রেনের কাছে পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকবে, ততদিন শান্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ভাববে না রাশিয়া।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর প্রকাশিত এক হালনাগাদ তথ্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, রাতের হামলায় ব্যবহৃত রাশিয়ার কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা যায়নি।
রাশিয়ার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভর করে আসছে। তবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের মজুদের বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা ও গুদামঘরকে লক্ষ্য করে আকাশ, স্থল এবং সমুদ্রভিত্তিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.