ভোমরা ও বুড়িমারি স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ৪৭৪ কোটি টাকার দুটি পূর্ত প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মাধ্যমে দুটি বন্দরের পার্কিং ইয়ার্ড, শেড, ওয়্যারহাউজসহ বিভিন্ন সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।
বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে পৃথক এ দুই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রকল্পটি ছিল সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন। প্রকল্পের আওতায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সক্ষমতা বাড়াতে পার্কিং সুবিধা, ট্রান্সশিপমেন্ট শেড, ওয়্যারহাউজসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৩ কোটি ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৪ টাকা।
জানা গেছে, এক ধাপ দুই খাম পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে মোট ১৮টি দরপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ৭টি দরপত্র কারিগরি, আর্থিক ও সমন্বিত মূল্যায়নে রেসপনসিভ বিবেচিত হয়। টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ স্কোর অর্জনকারী যৌথ দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে টিয়ানেন এবং ডিএনকো, ঢাকা।
আর একটি প্রকল্পটি হলো লালমনিরহাটের বুড়িমারি স্থলবন্দরের উন্নয়ন কাজ। একই পদ্ধতিতে আহ্বান করা দরপত্রে ১৮টি প্রস্তাব জমা পড়ে, যার মধ্যে ৭টি রেসপনসিভ বিবেচিত হয়। টিইসির সুপারিশ অনুযায়ী সর্বোচ্চ স্কোরধারী যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজটি পায় একই দুই প্রতিষ্ঠান।
এই প্রকল্পের আওতায় বুড়িমারি স্থলবন্দরে পার্কিং ইয়ার্ড, শেড, ওয়্যারহাউজ এবং অন্যান্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যয় হবে ২৪১ কোটি ২৬ লাখ ২০ হাজার ৬৮১ টাকা।
দুটি প্রকল্প মিলিয়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪৭৪ কোটি ৩৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩৭৫ টাকা। এসব উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট স্থলবন্দর দুটির আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.