মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে নিয়মিত বাজেট সহায়তার বাইরেও অতিরিক্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক।
ওয়াশিংটনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠকের ফাঁকে সংস্থা দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বর্তমানে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধিদলের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী জুনের মধ্যেই বাংলাদেশ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা পেতে পারে।
গতকাল মঙ্গলবার আইএমএফের নির্বাহী পরিচালক উর্জিত প্যাটেল এবং বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জন জুটসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইএমএফের চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাড়তি সহায়তার ইঙ্গিত দেন আমীর খসরু। তিনি বলেন, ‘কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়টি তো আছেই, তবে চলমান কর্মসূচির আওতায় এর চেয়েও ভালো কিছু আসতে পারে।’
আগামী জুন মাসের মধ্যে এবং আগামী বাজেটে বাংলাদেশ অতিরিক্ত অর্থায়ন পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে আলোচনা খুবই সফল হয়েছে। আমরা যে ঘাটতির মুখে পড়েছি, তা মোকাবিলায় আমরা অনেকটাই সফল হব বলে আমার বিশ্বাস।’
উল্লেখ্য, উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য আইএমএফ ইতিমধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাংক ২৫ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা তহবিলের ঘোষণা দিয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ আইএমএফের ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এই ঋণের দুটি কিস্তিতে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় করার কথা রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকেও ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা পাওয়ার কথা রয়েছে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.