দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে চলতি মার্চে। মাস শেষ না হতেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার, যা নতুন রেকর্ড। এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২৫ সালের মার্চে ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে প্রবাসীরা বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৪৯ কোটি মার্কিন ডলার। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ প্রায় ৪২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩০২ কোটি বা ৩ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স ছিল ২৫২ কোটি ডলার।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশে এসেছে মোট ২ হাজার ৫৯৪ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ২ হাজার ১৭৪ কোটি ডলার।
প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন আমদানির দায় পরিশোধের পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছে। সোমবার দিন শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম ৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.