শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্পন্ন, সনদ পেলেন ২৫ জন

নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশে দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পরিচালিত উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি (ইডিপি) সম্পন্ন করেছে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। এ কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ নেওয়া ২৫ জন উদ্যোক্তাকে সনদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচিত একজন নারী উদ্যোক্তাকে ব্যবসা সম্প্রসারণে চেক দেওয়া হয়েছে এবং চারটি বিভাগে চার উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর ব্যাংকটির ট্রেনিং একাডেমিতে এ উপলক্ষে সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উদ্যোগে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম’ (এসআইসিআইপি)-এর আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এম সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও এসআইসিআইপি-পিআইইউর প্রোগ্রাম পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ও উপপ্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াসিম, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এসএমই বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান এফ এম নেওয়াজ আলী, কোম্পানি সচিব মো. আবুল বাশার, টেকসই অর্থায়ন ও কৃষি বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান মো. আবদুর রহিম এবং মানবসম্পদ বিভাগ ও ট্রেনিং একাডেমির প্রধান এ কে এম হাসান রহিমসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্যোক্তাদের পণ্য নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে ২৫ জন উদ্যোক্তার জন্য স্টল বরাদ্দ ছিল। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, ফ্যাশন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বেকারি ও ফাস্টফুডসহ বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবনী পণ্য প্রদর্শন করা হয়।

ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দক্ষ উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প নেই। নতুন উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ এবং টেকসই ব্যবসা গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক দেশের শিল্পায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যোক্তারা নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করা এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.