বার্ষিক সাধারণ সভা ও স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়ার আগে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা এবং কোম্পানি সচিব কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র সত্যায়ন নিশ্চিত না করায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি সিকিউরিটিজ আইন ও বিধিবিধান অনুসরণে ব্যর্থ হওয়া সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিএসইসি’র চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে ১০৩৩তম কমিশন সভায় অন্যান্যের মধ্যে বর্ণিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কমিশনের বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানি কর্তৃক বার্ষিক বা চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ লভ্যাংশ বিতরণের উদ্দেশ্যে বার্ষিক সাধারণ সভার অন্তত এক দিন আগে সংরক্ষিত পৃথক ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করতে হবে। একই সঙ্গে অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহের বিধান রয়েছে।
প্রত্যয়নপত্রটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও কোম্পানি সচিব কর্তৃক সত্যায়িত করে বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে দাখিল করতে হয়। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন না করার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কমিশনের সভায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য সিকিউরিটিজ আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছাড়া, লভ্যাংশ সংক্রান্ত প্রস্তাব বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপনের আগে ঘোষিত লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ ও সভায় উপস্থাপন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ শর্তগুলো পূরণ না করে কোনো কোম্পানি বার্ষিক সাধারণ সভায় লভ্যাংশ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করতে পারবে না। এ বিষয়ে বিদ্যমান নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.