দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন হবে কি না, সে বিষয়ে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) আদেশ দেবেন আদালত। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আপস হয়েছে এবং জামিনে তাদের কোনো আপত্তি নেই—আসামিপক্ষের এমন দাবির পর করা জামিন আবেদনের ওপর এ আদেশ হতে যাচ্ছে।
গত ৫ অক্টোবর গাজী নজরুলের পক্ষে আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত বুধবার আদেশের দিন ধার্য করেন। ফলে আপসনামা এবং বাদীপক্ষের নতুন অবস্থান জামিনের সিদ্ধান্তে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
শুনানিতে আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান বলেন, নিহত মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আসামিপক্ষের সমঝোতা হয়েছে। বাদীপক্ষও জামিনের বিরোধিতা করছে না। এ অবস্থায় গাজী নজরুলকে জামিন দেওয়া হলে মামলার তদন্ত বা বিচারিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করা হয়। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও গাজী নজরুলের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলার পর বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড শেষে ওবায়দুর রহমানকেও সোমবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.