পিকে হালদারের সহযোগী নওশেরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা করেছে দুদক

সোয়া ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে আলোচিত পিকে হালদারের সহযোগী ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) সাবেক পরিচালক মো. নওশেরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মো. নওশেরুল ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে চাকরি ছেড়ে ১৯৯৬ সালে ব্যবসায় যুক্ত হন। একপর্যায়ে তিনি পিকে হালদারের সহযোগী হিসেবে আইএলএফএসএলের পরিচালকসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে জমি, অবকাঠামো ও ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেন নওশেরুল ইসলাম। অনুসন্ধানে নড়াইলের লোহাগড়া ও ঢাকার বনানী ডিওএইচএস এলাকায় তার নামে থাকা সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এসব সম্পদের প্রকৃত ক্রয়মূল্য ও নির্মাণ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও তথ্য গোপন ও মিথ্যা ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, নওশেরুল ইসলামের বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ১২ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার ১৫৪ টাকা। বিপরীতে তার মোট সম্পদের মূল্য পাওয়া যায় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ ৪৫ হাজার ১৫৪ টাকা। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের হিসাবে ৫ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.