বিমানবন্দর ও কমলাপুরে বহুমুখী পরিবহন কেন্দ্রের নকশায় পরামর্শক নিয়োগ

ঢাকার বিমানবন্দর ও কমলাপুর রেলস্টেশনে বহুমুখী পরিবহন কেন্দ্র নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য ব্যয় হবে ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৮ টাকা। এর পুরো অর্থ সংস্থান করা হবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ রেলওয়ের বাস্তবায়নাধীন ‘গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা’ প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর এসডি-১-এর আওতায় এ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রস্তাব দাখিলের অনুরোধপত্র পাঠানো হয়। এর মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান আর্থিক ও কারিগরি প্রস্তাব দাখিল করে। যাচাই-বাছাই শেষে দুটি প্রস্তাব আর্থিক ও কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়।

পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির মাধ্যমে আলোচনা ও দরকষাকষি করা হয়। এতে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনকারী গ্রহণযোগ্য দরদাতা হিসেবে যৌথ উদ্যোগের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অস্ট্রেলিয়ার এসএমইসি, সিঙ্গাপুরের এসএএ আর্কিটেক্টস, কেনিয়ার ইউশিন, বাংলাদেশের এসিই কনসালট্যান্টস, সুরবানা জুরং এবং ডিডিসি সাব-কনের সহযোগিতায় নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশের ভিত্তিতে ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৮ টাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ঢাকার বিমানবন্দর রেলস্টেশনে বহুমুখী পরিবহন কেন্দ্র নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ধারণাগত নকশা প্রণয়ন করা হবে। একই সঙ্গে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে বহুমুখী পরিবহন কেন্দ্র নির্মাণে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।

‘গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা’ প্রকল্পটি গত বছরের ২০ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.