জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাস্তবায়ন, শহীদ পরিবারগুলোর উপযুক্ত পুনর্বাসন এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুচিকিৎসা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।
বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি’র সভায় সভাপতির বক্তৃতায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান একথা বলেন।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় এবং নবগঠিত জুলাই অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধার কল্যাণে কাজ করা হবে এবং এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ থাকবে না।
জুলাই’২৪ এর সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও আহতদের সেবায় সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়বে, সেজন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
সভায় উপস্থিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আহতদের চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জুলাই আহতদের ও শহীদ পরিবারদের পুনর্বাসন এবং তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করা। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে যাদের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, তাদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। আহত জুলাই যোদ্ধারা যেন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক ও তৎপর রয়েছি।
অন্যদিকে, তালিকার নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোকপাত করে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, জুলাই যোদ্ধাদের এবং শহীদদের তালিকায় যে সকল ভুলত্রুটি বা অভিযোগ আসছে, সেগুলো তদন্ত সাপেক্ষে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সংশোধন করা হচ্ছে। জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আবেদনের ভিত্তিতে ডাক্তারি সনদসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়। আমাদের লক্ষ্য একটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা উপহার দেওয়া, যাতে কোনো অযোগ্য ব্যক্তি এতে সুযোগ না পায় এবং প্রকৃত কোনো জুলাই যোদ্ধা বা শহীদ পরিবার বাদ না পড়েন। বাসস



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.