আসামের বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে

ভারতের আসামের বিস্তীর্ণ অংশ এখনো বন্যার কবলে রয়েছে। একদিকে যেমন মৃতের সংখ্যা বেড়েছে তেমনই কোনো কোনো এলাকায় অবস্থার অবনতি হয়েছে।

ডিজাস্টার রিপোর্টিং অ্যান্ড ইনফর্মেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আসামের বন্যা কবলিত অঞ্চলে এখনো পর্যন্ত ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৬০ জন পুরুষ, ২৩ জন নারী এবং ১৮টি শিশু রয়েছেন।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতের নিরিখে সবচেয়ে বিপর্যস্ত জেলার মধ্যে রয়েছে শিবসাগর, কাছাড়, করিমগঞ্জ, গোলাঘাট, ধেমাজি এবং নগাঁও।

এদিকে ধানসিঁড়ি নদীর জল নতুনভাবে বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত করায় গোলাঘাটের পরিস্থিতি আরো উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মারাঙ্গি মৌজার অন্তর্গত দুসুতিমুখ এলাকায় একাধিক বাড়ির উঠোনের উপর দিয়ে জল বয়ে যাচ্ছে।

খুমতাই বিধানসভা কেন্দ্রের কয়েক হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তৈরি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা। আবাসিক অঞ্চলে জল প্রবেশ অব্যাহত থাকায় আশপাশের গ্রামের বাসিন্দাদের উদ্বেগ বেড়েছে।

নাজিরা, শিবসাগর, চরাইদেও, মঙ্গলদই এবং ধানসিঁড়ি নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানকার বিধায়ক মৃণাল সাইকিয়া বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন গত চার-পাঁচ দিন ধরে আসামে বন্যা পরিস্থিতি ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। কদমগুড়ি ও রংদই-সহ একাধিক অঞ্চলে বহু মানুষ বন্যার জলে আটকে পড়েছিলেন। তাদের উদ্ধারের কাজ চলছে। স্থানীয় স্কুল এবং অন্যান্য অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.