বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এক কর্মীকে গুম ও রিমান্ড মিলিয়ে টানা ১৯ দিন নির্যাতন চালিয়েছে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক কর্মকর্তা হারুন গং। নির্যাতনের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তাকে তিনবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। কিন্তু প্রতিবারই হাসপাতাল থেকে রিমান্ডে এনে পুনরায় তার ওপর নির্মম টর্চার চালানো হয়।
তৎকালীন এসব বাহিনী আমান নামের ওই কর্মীর ওপর নির্যাতন চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভিডিও স্টেটমেন্ট নিতে চেয়েছিল। যেখানে তাকে বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয় যে, ২৮ অক্টোবরের সমাবেশে পুলিশ হত্যার ঘটনাটি তারেক রহমানের নির্দেশেই ঘটেছিল। নির্যাতনে আমান বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং প্লায়ার্স দিয়ে তার পায়ের নখ উপড়ে ফেলা হয়। তবুও তিনি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো ভিডিও স্টেটমেন্ট দেননি। বর্তমান প্রজন্মের দলীয় কর্মীরা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন এবং দলীয় আদর্শ ও দেশের স্বার্থে ধৈর্য ধারণ করছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের সীমালঙ্ঘন না করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে এসব কথা উঠে আসে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.