বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

চলমান অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ-২০২৬ মৌসুমে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বস্তাবন্দীকরণের জন্য ১ কোটি ৬০ লাখ পিস হেসিয়ান পাটের বস্তা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ জন্য ব্যয় হবে ১১১ কোটি ৬ লাখ ৪০০ টাকা।

বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তর উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৩০ কেজি ধারণক্ষমতার হেসিয়ান পাটের বস্তা কেনার উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষ্যে আহ্বান করা দরপত্রে ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ১৫৩টি দরপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ১০৯টি দরপত্র গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে ২১টি সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ পিস পাটের বস্তা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে এসব প্রতিষ্ঠান থেকেই বস্তা কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকার ছয়টি সংযোগ সড়ক পাকাকরণ প্রকল্পের প্রস্তাবিত দ্বিতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, চট্টগ্রামকে নির্বাহক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।

জানা গেছে, ‘চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পটি ৩ হাজার ১১০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০২৩ সালের ২০ জুন একনেকে অনুমোদন পায়। প্রকল্পের আওতায় জঙ্গল সলিমপুর এলাকার ছয়টি সংযোগ সড়ক পাকাকরণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, চট্টগ্রামের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় বিশেষ ক্রয় ব্যবস্থার আওতায় এ সিদ্ধান্তের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.