বন্যার ঝুঁকিতে যেসব জেলা

বিপৎসীমায় তিস্তার পানি

উজানে ঢল আর ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্ট তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার, (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার)। যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বেড়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার অববাহিকাভুক্ত লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম জেলায়। সুরমা-কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা অববাহিকাভুক্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা, সোমেশ্বরী অববাহিকাভুক্ত নেত্রকোনা জেলা এবং আত্রাই অববাহিকাভুক্ত নওগাঁ জেলা।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকাভুক্ত কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলা; আত্রাই ও ছোট যমুনা অববাহিকাভুক্ত নওগাঁ, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলা; সাঙ্গু, মাতামুহুরী অববাহিকাভুক্ত বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ডিমলা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি বাড়তে থাকলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজে ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.