জানুয়ারি-মার্চে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ২২ শতাংশ: বিবিএস

দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতি আরও কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ২২ শতাংশ, যা আগের দুই প্রান্তিকের তুলনায় কম।

সোমবার (২০ জুলাই) বিবিএস চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের জিডিপির হিসাব প্রকাশ করে।

তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ছিল ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। ফলে অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকেই জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমেছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ছিল।

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের শ্লথগতির প্রভাব পরবর্তী অর্থবছরেও জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে পড়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত বিবিএসের সাময়িক হিসাবে বলা হয়েছে, বিদায়ী অর্থবছরে সার্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।

বিবিএস জানায়, কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিন খাতের তথ্যের ভিত্তিতে জিডিপি হিসাব করা হয়।

জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে শিল্প খাতে ঋণাত্মক ০ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। একই সময়ে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে দেশের অভ্যন্তরে স্থির মূল্যে ৯ লাখ ৮ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা মূল্য সংযোজন হয়েছে। আগের প্রান্তিকে এর পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৪০৩ কোটি টাকা। আর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল ৮ লাখ ৫৯ হাজার ১০ কোটি টাকা।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.