ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন, যার মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড হিসেবে বিতরণ করা হবে।
১১ জুন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন।
শনিবার (১৩ জুন) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।
সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থা রাখার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানান। কোম্পানি সচিব এম মাহবুবুর রহমান, এফসিএস সভা পরিচালনা করেন।
২০২৫ সালে সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকায়। ২০২৫ সালে শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা থেকে ৩০ শতাংশ বেশি।
সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ১২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬ দশমিক ১৮ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৫৬ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯ দশমিক ৩৮ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ৭২ দশমিক ৭২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৪ দশমিক ১৪ টাকা।
ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তাঁর বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁর তুলে ধরা উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ২০২৫ সালে একক ভিত্তিতে ব্যাংকটির গ্রাহক আমানতে ২৯ শতাংশ এবং ঋণে ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। তিনি শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অংশীজনদের তাঁদের সমর্থন ও অবিচল আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.