ঈদে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন ভালুকার খোকন মিয়া

এবার দেশের নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন ময়মনসিংহের ভালুকার খোকন মিয়া। ঈদের আগমুহূর্তে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়ায় আনন্দের জোয়ারে ভাসছে খোকন মিয়ার পরিবার।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে খোকন মিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস মো. ফিরোজ আলম।

সোমবার (২৫ মে) কোম্পানিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম ‘হক এন্টারপ্রাইজ’ এর স্বত্বাধিকারী এনামুল হক প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ঈদুল আজহা উপলক্ষে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে শুরু হওয়া ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’ এ ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান কিনে ‘আবারও মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা।

সিজন-২৪ এর আওতায় ইতোমধ্যে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৬ জন ক্রেতা। খোকন মিয়াসহ অন্য মিলিয়নিয়াররা হলেন: রাজধানীর দক্ষিণ খানের ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান, নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার শেখপাড়ার গৃহবধূ আফরোজা বেগম, বান্দরবানের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার। মিলিয়নিয়ার ছাড়া লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার, আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পেয়েছেন অগণিত ক্রেতা। ওয়ালটন পণ্যের ক্রেতারা ঈদুল আজহা পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ক্রেতা খোকন মিয়া বলেন, “ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়ার বিষয়টি আমার কাছে স্বপ্ন দেখার মতো মনে হচ্ছিল। তা যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ালটনের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা পেয়ে যে কী আনন্দ লাগছে তা বুঝানো সম্ভব নয়। ওয়ালটনের এই টাকায় এখন আমার স্বপ্নের বাড়িটি তৈরি করবো। ফ্রিজ কেনার সুবাদে আমাকে এতো বড় সুবিধা দেয়ায় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষের নিকট চিরকৃতজ্ঞ।”

ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়ায় ক্রেতা খোকন মিয়াকে অভিনন্দন জানিয়ে ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম বলেন, দেশের ক্রেতাদের আস্থা ও ভালোবাসা পেয়েই ওয়ালটন আজ শীর্ষ ও টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়; দেশের সীমানা পেরিয়ে ওয়ালটন পণ্য এখন বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের। আর এই সম্মান অর্জনের পথে এক বিরাট অংশীদার হচ্ছেন দেশের সাধারণ ক্রেতারা। তাই তাদের প্রতিও ওয়ালটনের যে দায়বদ্ধতা রয়েছে তা বিবেচনায় ঈদে পণ্য ক্রয়ে ক্রেতাদের ‘আবারও মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

তিনি জানান, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন সিজনে ওয়ালটন পণ্য কিনে দেশজুড়ে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন অর্ধ-শতাধিক ক্রেতা। ওয়ালটনের থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকায় তাদের অনেকেরই ভাগ্য উন্নয়ন ঘটেছে। ক্রেতাবান্ধব ওয়ালটনের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.