দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন।
শনিবার (১৬ মে) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্সকোর্ট মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই নেতার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ তথ্য সাংবাদিকদের জানান তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল।
শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার দিকে কুয়ালালামপুরের ওই হাসপাতালে প্রবাসী সাংবাদিকরা মির্জা আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং তার শারীরিক অগ্রগতিতে চিকিৎসক দল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আফরোজা আব্বাস আরও জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসকে বর্তমানে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন কিছুটা সময় হাসপাতালের নিচে হুইলচেয়ারে করে চলাফেরাও করছেন তিনি।
এদিকে প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে মালয়েশিয়া প্রবাসী শুভাকাঙ্ক্ষী ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছেন এবং মির্জা আব্বাসও তাদের সঙ্গে কথা বলছেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, জালাল উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হেলাল শিকদার, সোহেল আহমেদ, ইমরান আহমেদ, জাসাস মালয়েশিয়ার আহ্বায়ক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুম ও ফয়সালসহ মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসী সাংবাদিকবৃন্দ। এ সময় মির্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীরা তার পূর্ণ সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.