ভিজিট ভিসায় হজে সহায়তা করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ রিয়াল জরিমানা

দর্শনার্থী ভিসাধারী হজযাত্রীদের যদি কেউ বাস ভাড়া দেন কিংবা আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন, তাহলে ওই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১ লাখ রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩২ লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯ টাকা) জরিমানা দিতে হতে পারে। গতকাল এক লিখিত ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ঘোষণায় বলা হয়েছে, যারা ভিজিট ভিসাধারী হজযাত্রীদের হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যক্তিগত বাসভবন বা অন্য কোনো ধরনের আশ্রয়স্থলে থাকার ব্যবস্থা করবেন, তাদের ওপর এই জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

এছাড়াও, যারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে মক্কা বা অন্যান্য ধর্মীয় স্থানে লুকিয়ে থাকতে যদি কেউ সহযোগিতা করেন, তাহলে তিনিও এই জরিমানার আওতায় পড়বেন।

পুরো হজ মৌসুম জুড়ে অর্থাৎ জিলকদ মাসের শুরু থেকে জিলহজ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই আদেশ বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে।

উল্লেখ্য, হজ ইসলামের প্রধান পাঁচটি ভিত্তির মধ্যে একটি। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিম নারী-পুরুষের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ বা আবশ্যক। হজের মৌসুম শুরু হয় ঈদুল আজহার আগে। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসল্লি হজ করতে সৌদিতে যান।

বেশ কয়েক বছর আগে হজযাত্রীদের জন্য পৃথক হজভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বার বার বলা হয়েছে, হজভিসা ব্যতীত দর্শনার্থী বা অন্য কোনো ভিসায় যদি কোনো ব্যক্তি হজ করতে আসেন— তাহলে তা অবৈধ বলে গণ্য করা হবে।

তবে সরকারের এই আদেশ অনেকেই মেনে চলেন না। অনেক বিদেশি নাগরিক দর্শনার্থী ভিসায় হজের উদ্যোগ নেন এবং প্রতি বছরই এই কারণে শত শত হজযাত্রীকে দেশে ফেরত পাঠায় সৌদির সরকার।

শুক্রবারের আদেশে এই সমস্যার সমাধানে নাগরিকদের সহযোগিতাও চেয়েছে সৌদির সরকার। বলা হয়েছে, কোনো নাগরিক যদি অবৈধ হজযাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা সংক্রান্ত কোনো তথ্য জেনে থাকেন— তাহলে যেন তিনি সেই তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রদান করেন।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.