বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা পেশাদারদের আন্তর্জাতিক সংস্থা সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকার রেনেসন্স হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় সদস্যরা সোসাইটির গত এক বছরের কার্যক্রম, আর্থিক অগ্রগতি এবং নেতৃত্ব সংক্রান্ত হালনাগাদ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন।
সভায় সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের ট্রেজারার কাজী রাকিব-উল হক, সিএফএ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত বছরের আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন করেন। এরপর সোসাইটির প্রেসিডেন্ট আসিফ খান, সিএফএ গত বছরের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।
সভা শেষে মনোনয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মো. মিনহাজ জিয়া, সিএফএ আসন্ন মেয়াদের জন্য নতুনভাবে নির্বাচিত বোর্ড সদস্যদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। নতুন বোর্ড সদস্যরা হলেন- কাজী মনিরুল ইসলাম, সিএফএ; এস. এম. গালিবুর রহমান, সিএফএ; এস এম সামিউজ্জামান, সিএফএ; এবং সাদ নিয়ামতুল্লাহ, সিএফএ।
এ সময় সোসাইটির বিদায়ী বোর্ড সদস্য মো. ইকবাল হোসেন, সিএফএ, ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং কাজী রাকিব-উল হক, সিএফএ, ট্রেজারারের অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করা হয়। তাদের দায়িত্বকালীন সময়ে সোসাইটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।
নতুনভাবে নির্বাচিত বোর্ড সদস্যরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৮ পর্যন্ত মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। সিএফএ ইনস্টিটিউট-এর বৈশ্বিক লক্ষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিনিয়োগ খাতে নৈতিকতা, শিক্ষা এবং পেশাগত উৎকর্ষতা আরও এগিয়ে নিতে বোর্ড কাজ করে যাবে।
বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে একটি সেমিনার আয়োজন করা হয়। “বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত: নতুন সরকারের প্রেক্ষাপটে নীতিমালা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা” শীর্ষক এই সেশনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তামিম এবং কনফিডেন্স গ্রুপ-এর চেয়ারম্যান ইমরান করিম। সেশনটি সঞ্চালনা করেন মাহতাব ওসমানি, সিএফএ, ডিএমডি, ব্যাংক এশিয়া।
সেশনে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের পরিবর্তনশীল নীতিমালা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ও বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থায় রূপান্তরের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নীতিগত স্বচ্ছতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে সৃষ্ট নতুন সম্ভাবনার দিকেও আলোকপাত করা হয়।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.