ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত ওই দ্বীপে হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে আসার জন্য যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন, তা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিওস বলেছে, আমেরিকার সামরিক বাহিনী ওই দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে খারগ দ্বীপে হামলা কিংবা যুক্তরাষ্ট্র সেটি দখলে নিতে পারে বলে একাধিকবার হুমকি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৩০ মার্চ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছিলেন, আমরা ইরানের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেলকূপ এবং খারগ দ্বীপ এবং সব লবণাক্ত পানি শোধন কেন্দ্র পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার মাধ্যমে ইরানে আমাদের চমৎকার অবস্থান শেষ করব।
সোমবারও ইরানের সরকারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তাদেরকে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, মঙ্গলবার ইরানজুড়ে বিভিন্ন অবকাঠামো স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে এসব স্থাপনা ঠিক কী ছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ বলেছে, কিছুক্ষণ আগে ইরানের বিভিন্ন এলাকায় ইরানি সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর কয়েক ডজন অবকাঠামো লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.