সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যে নতুন কর কাঠামো প্রণয়ন, দাম বৃদ্ধি এবং রাজস্ব বাড়াতে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান মো আবদুর রহমান খান। একই সঙ্গে চোরাচালান ও জাল স্ট্যাম্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে জব্দকৃত পণ্য জনসমক্ষে ধ্বংস করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৩১ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ ও বাণিজ্যবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সঙ্গে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান মো আবদুর রহমান খান বলেন, দেশে তামাকের দাম আশেপাশের দেশের তুলনায় কম। এ কারণে রাজস্ব বাড়াতে নতুন কর কাঠামো প্রণয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে চারটি স্তরে মূল্য নির্ধারণ করা হলেও করহার অত্যন্ত বেশি পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, বিড়ি ও গুল খাতে কর ফাঁকি একটি বড় সমস্যা। এই খাতে যৌক্তিকতা আনতে উদ্যোগ নেওয়া হলেও শ্রমিকসংখ্যা বেশি হওয়ায় নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, করহার কম বা বেশি যাই হোক, জালিয়াতির প্রবণতা সব ক্ষেত্রেই থাকে। তাই কর কাঠামো যৌক্তিক করার পাশাপাশি জালিয়াতি রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড চালু করা হবে, যাতে স্ট্যাম্প যাচাই করা যায় এবং রাজস্ব ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে তথ্যদাতা হিসেবে যুক্ত করে একটি ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া নিয়মিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে জাল সিগারেট জনসমক্ষে ধ্বংস করা হবে, যাতে সচেতনতা বাড়ে। সিগারেট ও বিড়ির দাম বাড়িয়ে এবং কর কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.