ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা অভিযান পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
ডাউনিং স্ট্রিট এ তথ্য জানিয়েছে।
সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয় যে, শুক্রবারের এক বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন যে, এই অঞ্চলের সম্মিলিত আত্মরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের চুক্তিতে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন প্রতিরক্ষামূলক অভিযান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে, ‘এই সংঘাতের প্রতি যুক্তরাজ্যের গৃহীত পদক্ষেপের পেছনের মূলনীতিগুলোর কোনো পরিবর্তন হয়নি। অর্থাৎ অবিলম্বে উত্তেজনা হ্রাস ও যুদ্ধের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
এদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সদস্যরা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার জন্য ইরানের পদক্ষেপের নিন্দা করেছেন। এতে বলা হয়, ইরানের এই বেপরোয়া হামলাগুলো এই অঞ্চলকে আরও গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেয়ার এবং যুক্তরাজ্য ও বিশ্বজুড়ে অনুভূত অর্থনৈতিক প্রভাবকে আরও খারাপ করে তোলার ঝুঁকি তৈরি করছে।
এদিকে, মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সংস্থা এক্স-এ লিখতে গিয়ে বিরোধী কনজারভেটিভ নেত্রী কেমি ব্যাডেনক এই সিদ্ধান্তটিকে সবচেয়ে বড় ইউ-টার্ন বলে অভিহিত করেছেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তীব্র মার্কিন-ইসরাইলি আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে, যুক্তরাজ্য ঘাঁটিতে প্রবেশের মার্কিন অনুরোধকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
অন্যদিকে, ‘নিজেদের এবং আমাদের মিত্রদের রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি আমরা বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ব না। সোমবার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য সরকার এই লড়াই বন্ধ করার জন্য কাজ করে যাবে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.