যেগুলো এখন অ্যাকশন নিতে পারছি না, ঈদের পরে অ্যাকশন হবে: সেতুমন্ত্রী

সার্বিকভাবে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সব বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ভোগান্তি বা অভিযোগ আমরা পাইনি। অভিযোগ যেগুলো পেয়েছি এখন অ্যাকশন নিচ্ছি। যেগুলো এখন অ্যাকশন নিতে পারছি না, ঈদের পরে অ্যাকশন হবে।

বুধবার (১৮ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সবাই এখানে নির্ধারিত ভাড়া নিচ্ছে। কয়েকটি পরিবহন ২০-৩০ টাকা কমও নিচ্ছে। এখানে পুলিশ বুথ আছে, কেউ বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাসগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে, কোনো ভোগান্তি এখন পর্যন্ত নেই। সার্বিকভাবে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রয়েছে। যাত্রীরা শৃঙ্খলার সঙ্গে ঢাকার বাইরে যাতায়াত করতে পারছেন এবং কোথাও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার খবর পাওয়া যায়নি।

জ্বালানি তেল নিয়ে তিনি বলেন, ১৫ তারিখ রাত ১১টা থেকে পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে। যমুনা সেতু দিয়ে গতকাল ৩২ হাজার গাড়ি বেশি গিয়েছে। তারা তেল পেয়েছে বলেই তো যেতে পারছে। কেউ না পেলে অভিযোগ করতে পারবে। গণপরিবহনে ফুয়েল ঘাটতি নেই। ১৬০৭ আমাদের হটলাইন নম্বর আছে, পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করবেন, আমাকেও ফোন করতে পারেন, তারা ফুয়েল পেয়ে যাবেন তাৎক্ষণিকভাবে। গণপরিবহনে ফুয়েলের কোনো ঘাটতি, স্বল্পতা নেই।

যত্রতত্র বাস কাউন্টার উচ্ছেদে মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না জানতে চাইলে রবিউল বলেন, মালিকদেরকে অনুরোধ করব যে, যত্রতত্র, অলিতে গলিতে, কোনো আবাসিক এলাকায় অথবা বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে না রেখে, তারা যেন কাউন্টারগুলো সরিয়ে নিয়ে আসে। আমরা তাদের একটা সময় বেঁধে দেবো ঈদের পর এবং এটা পরবর্তীতে আমরা খুব শক্তভাবে পর্যবেক্ষণ করব। কিন্তু সরিয়ে নিয়ে আসার একটা সময় তো তাদের দিতে হবে।

লোকাল বাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইতে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় এই চাপের কারণে অনেকে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। যেমন গতকাল নবীনগর এবং বাইপাইলে দুটি পরিবহন ১০০ টাকা বেশি নেওয়ার চেষ্টা করেছে। যাত্রী অভিযোগ করেছে, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে মোবাইল টিম গিয়ে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এটাই যথেষ্ট নয়, ঈদের পরে আমরা আরও বেশি অ্যাকশনে যাব-কেন তারা এই ব্যত্যয় ঘটাতে চাইলো।

মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম রোডে নীলাচল ও ইকোনো, এই দুটি পরিবহনও বেশি ভাড়া নেওয়ার একটু চেষ্টা করেছিল। তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে র‍্যাবের টিম এবং ওখানকার একজন ম্যাজিস্ট্রেট তাদেরকে সম্ভবত আট হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করেছে। এ রকম ব্যত্যয় ঘটানোর একটা প্রবণতা যে নাই, আমি তা বলছি না। কিন্তু আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি আমি দাবি করব।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.