ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন এবং পরিস্থিতি পুরো নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ।
ইরানি গণমাধ্যম অ্যালারাবি আল-জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আটই মার্চ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতা এখনো জনসমক্ষে উপস্থিত হননি।
গত ১২ মার্চ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া তার প্রথম ভাষণ পাঠ করেছিলেন একজন উপস্থাপক।
তিনি বলেছেন, ইরান “ন্যায্যভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাতে পারে এমন যে কোনো আঞ্চলিক উদ্যোগকে” স্বাগত জানান। হরমুজ প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের জাহাজ বাদে সবার জন্য উন্মুক্ত।
আরাঘচি বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনও উদ্যোগ আলোচনার টেবিলে নেই।
গতকাল ১৪ মার্চ এনবিসি নিউজ-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, খামেনি আদৌ জীবিত আছেন কি না সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তার দাবি, এখন পর্যন্ত কেউ খামেনির উপস্থিতির নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তবে তিনি এ ধরনের খবরকে গুজবও বলে উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, যদি খামেনি জীবিত থাকেন, তাহলে দেশের স্বার্থে তার জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত হবে আত্মসমর্পণ করা। ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সমর্থন করে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প কারও নাম উল্লেখ করেননি। তিনি শুধু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন, যারা ভবিষ্যতে ইরানের জন্য ভালো নেতা হতে পারেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.