ইরানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সীমিতসংখ্যক তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে তেলের দাম চীনা মুদ্রা ইউয়ান-এ মেটাতে হবে। কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরান এই প্রক্রিয়া সহজ করতে একটি নতুন পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে।
বিশ্ববাজারে তেলের লেনদেন সাধারণত ডলারে হয়ে থাকে। রাশিয়ার তেলবাজার, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে, রুবল বা ইউয়ানে পরিচালিত হয়। হরমুজ প্রণালি বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত। প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া অস্থিরতার কারণে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়-সংক্রান্ত আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার শুক্রবার সতর্ক করেছেন, প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা পড়লে ত্রাণ, খাদ্য, ওষুধ ও সার সরবরাহে বিরাট প্রভাব পড়বে এবং পরিবহন খরচও বেড়ে যাবে।
একই সময়ে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজে বাধা দিলে ইরানের খারগ দ্বীপের তেল অবকাঠামোতে হামলা করা হবে। তিনি দাবি করেছেন, আমেরিকা ইতিমধ্যেই ওই দ্বীপের সমস্ত সামরিক লক্ষ্যবস্তু ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করেছে। খারগ দ্বীপ ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.