হাদি হত্যার ঘটনায় ভারতে আটক আসামিদের ফেরাতে চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় ভারতে আটক প্রধান আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ভারতে আটক দুই আসামিকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শিগগির তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে।

আলী হোসেন ফকির বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের অধীনে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা পুলিশ বাহিনীর অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হবে।

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, নারী নির্যাতন, বিশেষ করে ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মতো অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং তদন্তের মান বাড়াতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আরও আধুনিকায়ন করা হবে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আইজিপি বলেন, ঘরমুখী মানুষের সড়ক, মহাসড়ক, নৌপথ ও রেলপথে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং মহাসড়ক ও বড় বাজারগুলোতে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই রোধে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের আগে তৈরি পোশাক খাতে বেতন-ভাতা নিয়ে যাতে কোনো অস্থিরতা তৈরি না হয়, সে জন্য পুলিশ শ্রমিকনেতা, কারখানার মালিক ও শিল্প সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) যশোরের ওপারের সীমান্ত এলাকা বনগাঁ থেকে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তারের কথা জানায়। এসটিএফের বিবৃতি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পটুয়াখালীর বাসিন্দা ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.