ঢাকা: এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৩৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ এই অর্থ পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ
রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আমদানি বিল ও লেনদেন
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূলত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেন বাবদ গৃহীত পণ্যের অর্থ পরিশোধে এই বিল দেওয়া হয়। আকু-র সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দুই মাস অন্তর এই বিল পরিশোধ করতে হয়।
রিজার্ভের বর্তমান চিত্র
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ মার্চ দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আজ আকু-র বিল পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে। এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ (এনআইআর) ২৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।
অর্থনৈতিক মানদণ্ড
বর্তমানে প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫ মাসের খরচ মেটানো সম্ভব। সাধারণত একটি দেশের জন্য ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ ধরা হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একটি গণমাধ্যমে এই তথ্য গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.