যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে হামলা চালানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে প্রায় ৭৮৭ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
ইতিমধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইরানের মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, ১৭৬ জন শিশুসহ ৭৪২ জন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন।
ইরানি পার্লামেন্টের স্বাস্থ্য কমিশনের সদস্য ফাতেমেহ মোহাম্মদবেগি সোমবার বলেছেন, ইরানের নয়টি হাসপাতালে হামলা হয়েছে। ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এদিকে ইরানের রাজধানী তেহরান, বুশেহর এবং উর্মিয়া সহ বিভিন্ন শহরে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে আমেরিকা-ইসরায়েল।
বিবিসি ফার্সির প্রতিবেদন অনুসারে, গত কয়েক ঘণ্টা ধরে ইরানের কয়েকটি বড় শহরের মতো পারদিস এবং পারচিনের মতো এলাকাগুলোতেও অব্যাহতভাবে আক্রমণ চালানো হচ্ছে।
ইসফাহান এর গভর্নরেট জানিয়েছে, “ইসফাহানের একটি স্থানে” মঙ্গলবারের হামলায় তিনজন নাগরিক নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি ফার্সি জানিয়েছে, ইরানের কেরমানে সেনা বিমান ঘাঁটিতে হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া মিনাব স্কুলে চালানো হামলার সময় ৩৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে, প্রায় পাঁচটি বড় হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি জরুরি কেন্দ্র এবং মোট ১০টি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে।
তেহরানের জরুরি বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, সোমবারের বিমান হামলায় আটটি অ্যাম্বুলেন্স এবং সহায়তাকারী যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.