ইরানে হামলা শুরু করার পরেই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। এরপর স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের হামলার শঙ্কায় ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইরান ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রতিশোধ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করে ইসরায়েলি সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
ইসরায়েলি এক সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, হামলাটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমন্বিত ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলাটি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপককে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।
এছাড়া, ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জনগণকে কেবল দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছে।
নতুন ঘোষিত বিধিনিষেধগুলিতে জনসমাবেশ, কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং স্কুলে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে এই হামলা চালিয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহুরি এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হামলার সময় ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিজ দেশের নাগরিকদের একটি জাতীয় সতর্কতা বার্তা পাঠায়। তাদেরকে সুরক্ষিত স্থানের কাছাকাছি থাকার জন্য বলা হয়।
আইডিএফ ওই সতর্ক বার্তায় জানায়, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য এটি একটি সক্রিয় সতর্কতা।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.