অমর একুশে বইমেলা–২০২৬ আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য– ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’। দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ প্রদান করবেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। স্বাগত বক্তৃতা দেবেন মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করবেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং সংস্কৃতিসচিব মো. মফিদুর রহমান।
মেলা প্রতিদিন (ছুটির দিন ছাড়া) দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা চত্বরে প্রবেশ করতে পারবে না। ছুটির দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
বইমেলায় বাংলা একাডেমি এবং অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির বই ও পত্রপত্রিকা বিক্রির জন্য মেলার দুই অংশেই আলাদা স্টল থাকবে।
এবারের বইমেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ অংশে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান থাকবে। মোট ইউনিট থাকবে ১ হাজার ১৮টি। গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি।
এবারের অমর একুশে বইমেলাকে পরিবেশ-সুরক্ষা সচেতন ও ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’ হিসেবে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে মেলা থাকবে পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত। পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ধুলাবালি নিবারণে পানি ছিটানো এবং মশক নিধনের ব্যবস্থা রাখা হবে।
আয়োজনস্থল ও পার্শ্ববর্তী এলাকার স্টল, দোকান, মঞ্চ, ব্যানার, লিফলেট, প্রচারপত্র, ফাস্ট ফুড ও কফি শপসহ সব ধরনের প্রস্তুতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ—যেমন পাট, কাপড় ও কাগজ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.