ঢাকা মহানগরীতে মোট দুই হাজার ১৩১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা এক হাজার ৬১৪টি। আর বাকিগুলো সাধারণ কেন্দ্র। মোট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্রে সাতজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। আর গুরুত্বপূর্ণগুলোতে চারজন ও সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে তিনজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সংক্রান্ত’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এসব কথা বলেন।
কমিশনার বলেন, ডিএমপির ২৫ হাজার সদস্যের নির্বাচনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোতায়েন থাকবে ডিএমপির স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্স, বোম্ব ডিজপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। এছাড়া ভোট কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তায় থাকবে ১৮০টি স্ট্রাইক ফোর্স এবং ৫১০টি মোবাইল টিম। ঢাকা মহানগরীর আটটি ডিভিশনে আটটি কন্ট্রোল রুম এবং চারটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। সুবিধাজনক স্থানে মোতায়েন থাকবে স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্সও।
নিরাপত্তা পরিকল্পনা করতে হচ্ছে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা কেন করতে হয়েছে, কোনো হুমকি আছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনও থ্রেট নেই। সাধারণ সময়ের চেয়ে পরিবেশ ভালো। চমৎকার পরিবেশ রয়েছে। ডিএমপির ২৫ হাজার সদস্যের নির্বাচনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অতীতের নির্বাচনে পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবার সেটা থেকে বেরিয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে উদাহরণ সৃষ্টি করা হবে।
নগরবাসীর উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে আপনাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করুন। অতীতের সব বিতর্ক ও কালিমা কাটিয়ে জাতিকে একটি গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.