রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) ৭৫টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আরএমপির মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) গাজিউর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
এতে জানানো হয়, আরএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান এসব ফোন মালিকদের কাছে তুলে দেন। আরএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হারানো এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। অনুষ্ঠানে আরএমপি কমিশনার মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন। তিনি মাদক বা যে কোনো ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে নগরবাসীকে তথ্য প্রদানের অনুরোধ জানান। নাগরিকদের কাছ থেকে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পেলে পুলিশ দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এ লক্ষ্যে আরএমপির ফেসবুক পেজ, হটলাইন নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগাযোগ নম্বর চালু রয়েছে। পুলিশের ভালো কাজে নাগরিকদের সহযোগিতা ও উৎসাহ পেলে পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ কমিশনার অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্তান কোথায় যায়, কী করে, কার সঙ্গে চলাফেরা করে, নিয়মিত স্কুল-কলেজে যাচ্ছে কি না এবং ঠিকভাবে লেখাপড়া করছে কি না, এসব বিষয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা প্রয়োজন, যেন কোনোভাবেই সন্তান মাদক বা যে-কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে। যেসব মা-বাবা মাদকাসক্ত, তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে মাদক থেকে দূরে সরে আসতে হবে। আপনি যদি আপনার সন্তানকে সুশিক্ষা দিতে পারেন এবং তাকে সঠিকভাবে লেখাপড়ার সুযোগ করে দেন, তবে সে সমাজে একটি সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
এতে আরও জানানো হয়, মোবাইল ফোন ফেরত পাওয়া মালিকরা আরএমপির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের প্রশংসা জানান। তাদের মতে, এ উদ্যোগের ফলে শুধু হারানো মোবাইলই উদ্ধার হয়নি, বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
এ সময় আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ খোরশেদ আলমসহ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.