১২ ফেব্রুয়ারি চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের জনগণ লাল কার্ড দেখাবে: জামায়াত আমির

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি দল একদিকে দুর্নীতি দমনের কথা বলছে— অন্যদিকে ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছে। ঋণ খেলাপিদের আশ্রয় দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যাবে না। ৫ আগস্ট আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে মুক্তি পেয়েছে জাতি। ১২ ফেব্রুয়ারি চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের জনগণ লাল কার্ড দেখাবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতোই চাঁদাবাজি করে জাতিকে কষ্ট দেয়া শুরু করেছে একটি দল। গত ১৫ বছরে যারা পালিয়ে ছিলেন তারাই এসে এখন চাঁদাবাজি-দখলবাজি শুরু করেছে।

এরআগে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১দলের সিনিয়র নেতারা। নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ভরে ওঠে নেতাকর্মীদের ভিড়ে।

সকাল ১০টার কিছু পরে জামায়াত আমির এবং সাড়ে ১০টায় খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক জনসভায় যোগ দেন।

নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়ানোর পাশাপাশি, জামায়াত আমির নির্বাচনি জনসভা করেন ঢাকার বিভিন্ন আসনেও।

এসব সভা থেকে পরিচয় করিয়ে দেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থিদের। সেইসঙ্গে সরকার গঠন করতে পারলে তাদের কার্যক্রম কি হবে, সেসব প্রতিশ্রুতিও দেন ডা. শফিকুর রহমান।

অন্যান্যদের মাঝে এ সভায় বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া, শহিদ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি, ঢাকা-১১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছিলেন যিনি নাহিদের পক্ষে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন আতিকুর রহমানসহ ১১দলের নেতারা।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.