চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। কিন্তু বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান দাবি করেছেন, সেখানকার অবস্থা স্বাভাবিক। শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনি ব্যবস্থা নেবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকাল ১০টা থেকে কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারার বিষয়ে তড়িঘড়ি করা হচ্ছে না দাবি করে রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান জানান, এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া ২০১৯ সালে শুরু হয়। এরই মধ্যে বে-টার্মিনাল ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে এনসিটি বিদেশি অপারেটরদের কাছে ইজারার বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট হয়। যেদিন রিটের আদেশ হয়, সেদিন একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হচ্ছে- এমন উসকানি দিয়ে বন্দরে মিছিল করেছে। কিন্তু এটি নিয়ে চুক্তি একটি লম্বা প্রক্রিয়া।
বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আমি আজ সকালে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে গিয়েছি। সবাইকে বলেছি ভোট দিতে হবে। একটি পক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন বিঘ্নিত করা যাবে না।’
তিনি জানান, সামনে রমজান। একটি পক্ষ সংকট তৈরি করছে। এতে বাজারে দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়তে পারে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.