লোকসভায় বিরোধীদের হট্টগোল

ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের তীব্র হট্টগোল আর বিক্ষোভের কারণে ভাষণ দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তৃতা দেওয়ার কথা থাকলেও বিরোধীদের বাধায় তা বাতিল করা হয়।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এনডিটিভি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকেই লোকসভায় আক্রমণাত্মক অবস্থানে ছিলেন বিরোধী সংসদ সদস্যরা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে সাবেক সেনাপ্রধান এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় প্রতিবাদ শুরু হয়। দিনভর দফায় দফায় অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর বিকেল ৫টায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বক্তব্য দিতে দাঁড়ালে বিরোধী দলের কয়েকজন নারী সাংসদ প্রধানমন্ত্রীর আসনসহ ক্ষমতাসীন দলের নির্ধারিত আসনগুলো আটকে দেন।

বিক্ষোভকারী সাংসদরা ‘সঠিক কাজ করো’ লেখা ব্যানার হাতে নিয়ে মঙ্গলবার আটজন বিরোধী সংসদ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রতিবাদ জানান। হট্টগোলের মাঝে স্পিকারের দায়িত্বে থাকা সন্ধ্যা রায় অধিবেশন মুলতবি করতে বাধ্য হন। বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারি এই ঘটনাকে ‘ভীতিকর’ ও কংগ্রেসের ‘হতাশা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পরে দুপুরে অধিবেশন শুরু হলে ২০২০ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা স্লোগান দিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ছাড়াই লোকসভার অধিবেশন আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.