প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আলোচিত সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদনে মতিউর রহমানের দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া সরকারি পদের অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে দুদক আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মতিউর ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রথম মামলার চার্জশিট আজ অনুমোদিত হলো।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত এখনো চলমান। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত কোরবানির সময় ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনাকে কেন্দ্র করে তাঁর ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত আলোচনায় এলে মতিউরের বিপুল সম্পদের তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।
দুদকের অনুসন্ধানে মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট, পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের হদিস পাওয়া গেছে। বর্তমানে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বিও হিসাব জব্দ রয়েছে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.