দেশের সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ১০ জরুরি নির্দেশনা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ১০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ৬ দিন দেশের স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ সতর্কতা ও প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনাগুলো জারি করা হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে সেবার পরিধি অনুযায়ী বিভিন্ন পর্যায়ে মেডিক্যাল টিম গঠন করতে হবে— প্রতিটি করপোরেশনে ৬টি টিম। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিক্যাল টিম গঠন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এই টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন।

নির্বাচনকালীন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। অধিদফতর জানিয়েছে, কোনও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টানা ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। জরুরি বিভাগ, অন্তঃবিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার নিয়মিত খোলা রাখতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করে জরুরি বিভাগ চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও রোগীকে রেফার করার প্রয়োজন হলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করে তবেই রেফার করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনে সরকারি কর্তৃপক্ষকে লজিস্টিক ও জনবল সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্বাচনকালীন সময়ে সব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আবশ্যিকভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। কোনও প্রধান ছুটিতে থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিকল্প ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর আগেভাগেই স্বাস্থ্য অধিদফতরকে অবহিত করতে হবে। এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.