বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাজার বাড়াতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণে আমাদের পলিসি সাপোর্ট দরকার, উদ্যোক্তা দরকার। সে উদ্যোক্তাদের হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী। একই সঙ্গে তাদের লক্ষ্য অর্জনে উপযোগী জ্ঞান অর্জন করে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাকশিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৬ বছর আমরা কাটিয়েছি একটি পরিপূর্ণ ইউটোপিয়ান ওয়ার্ল্ডে। এটা করে ফেলবো, ওটা করে ফেলবো- যা সম্পূর্ণ ব্যয়ভিত্তিক পরিকল্পনা। আর এখন আমরা বিভিন্ন পলিসি গ্রহণ করছি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছি, ডিবেট করছি ; আর সবই করা হচ্ছে দেশের জন্য। এখন বিশ্বে জিওপলিটিক্যাল ফ্যাকচারের সাপ-লুডু খেলা চলছে। এই সাপ-লুডু খেলার মধ্যে নিজেদের অবস্থান খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রপ্তানি ও এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রজেক্টের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. আব্দুর রহিম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লাইট ক্যাসেল পার্টনার্সের সিইও বিজন ইসলাম। প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র ইকনোমিক অ্যাডভাইজর ওয়াইস প্যারি, পলিসি একচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ফিন্যান্স কমপিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রকল্পের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিষ্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি। গণমাধ্যম।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.