অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২৫০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ লোপাট ও আয়করের ২১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান ও আবুল বারকাতসহ ১৮ পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সংস্থাটির অনুসন্ধান টিম জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পৃথক পৃথক চিঠি ইস্যু করেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তলবি চিঠিতে তাদেরকে ১৮ ও ২০ জানুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে বলে জানা গেছে।
১৮ জানুয়ারি যাদের যাদের তলব করা হয়েছে, তারা হলেন- সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত, পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক নজিবুল ইসলাম দিপু, পরিচালক আএম দেবনাথ, পরিচালক সৈয়দ বজলুল করিম, পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ মইনউদ্দিন, পরিচালক মো. আবু নাসের, পরিচালক সঙ্গিতা আহমেদ, পরিচালক নিতাই চন্দ্র নাগ, পরিচালক এ কে এম কামরুল ইসলাম ও পরিচালক মো. মাহাবুবুর রহমান হিরন।
২০ জানুয়ারি যাদের তলব করা হয়েছে, তারা হলেন- সাবেক চেয়ারম্যান এস এম মাহফুজুর রহমান, পরিচালক অজিত কুমার পাল, পরিচালক মেশকাত আহমেদ চৌধুরী, পরিচালক কে এম শামসুল আলম, পরিচালক মুহাম্মদ আসাদ উল্লাহ, পরিচালক মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিন।
তলবকৃতদের মধ্যে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাতকে ধানমন্ডি থেকে গত ১১ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে দুদক টিম তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গেছে।
গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেডে চেয়ারম্যান শামীমা আতিকুল্লাহ খানসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে দুদক। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় শিল্প পরিবারের ঋণ ছিল সোনালী ব্যাংকে। যা ২০১২ সালে জনতা ব্যাংক ঋণটি কিনে নেয় নিয়মিত অবস্থায়। এরপর নতুন ঋণ দিতে থাকে। গ্রুপটির প্রায় ৮০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.