ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শঙ্কা বৃদ্ধির মধ্যে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
নাম গোপন রাখার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) বলেছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থগিত হয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ দমনের জেরে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন। তার হুমকির স্বর আরও জোরালো হয়েছে। এমন সময়ই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলো।
ইরান হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো ধরনের হামলা চালায় তাহলে তারা এর জবাব দেবে। দেশটির এক কর্মকর্তা সতর্কতা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি থেকে কিছু সেনাকে সরে যেতে বলল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন আশঙ্কার মধ্যে কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে নিজেদের কিছু সেনাকে সরে যেতে বলেছে দেশটি।
বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। তিন কূটনীতিক বার্তাসংস্থাটিকে বলেছেন, বুধবার সন্ধ্যার মধ্যেই তাদের সরে যেতে বলা হয়েছে।
দোহায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। কিন্তু দূতাবাস এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।
দোহার আল-উদেইদ মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। এখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন।
এক কূটনীতিক বলেছেন, “এটি কেবল অবস্থানের একটি পরিবর্তন। ঘাঁটি ছাড়ার কোনো নির্দেশনা নয়।” সেনাদের সরে যাওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট কারণ বলা হয়েছে এমন কিছু সম্পর্কেও জানেনা বলে জানিয়েছেন তিনি।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.