কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ‘গুলি বর্ষণের’ পর মিস্টার আলী (২৫) নামে বাংলাদেশি এক যুবককে আটকের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬২ এর কাছের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে বিএসএফ গুলি বর্ষণ করেছে নাকি সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আটক যুবক মিস্টার আলী রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। মিস্টার আলীসহ কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাকারবারির উদ্দেশে ভারতীয় সীমান্তে গিয়েছিলেন বলে সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে।
তবে বিজিবি জানিয়েছে, ওই যুবককে আটকের বিষয়ে নিশ্চিত হতে বিএসএফকে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিএসএফ।
জানা গেছে, রবিবার গভীর রাতে উপজেলার খাটিয়ামারীতে ১০-১২ জনের চোরাকারবারি দল নো-ম্যান্সল্যান্ড পেরিয়ে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করে। তারা ভারতের কাঁটাতারের ওপর দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য পার করছিল। এ সময় ভারতের কুচনীমারা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। ছত্রভঙ্গ হয়ে চোরাকারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে বিএসএফ মিস্টার আলী নামে এক বাংলাদেশিকে আটক করে নিয়ে যায়।
ওই সীমান্তের দায়িত্বে থাকা জামালপুর বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুজ্জামান বলেন, ভারত সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে আটকের বিষয়টি শোনার পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে তাদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও জবাব পাওয়া যায়নি। তবে গুলি কিংবা কোনও বিস্ফোরণের শব্দ হওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.