ভুল চিকিৎসায় মো. সামসুদ্দোহা শিমুলের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
তার স্ত্রীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত ও মো. শাহেদ খান ইয়াকুব। রিটে ‘মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালকের মৃত্যু: ভুল চিকিৎসার অভিযোগে মামলা’ শীর্ষক প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. সামসুদ্দোহা শিমুল ভুল চিকিৎসায় মারা গেছেন বলে অভিযোগ এনে দুজন চিকিৎসকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তার পরিবার। গতবছরের ২১ আগস্ট ঢাকার কলাবাগান থানায় মামলাটি করেন সামসুদ্দোহা শিমুলের ভাগনে রিয়াজ ইসলাম।
মামলার আসামিরা হলেন- কমফোর্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নার্সিং হোম হাসপাতালের চিকিৎসক জাহীর আল আমিন, ইফতেখারুল কাওছার, হাসপাতালের চেয়ারম্যান কবির আহামেদ ভূঁইয়া এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সামিয়া ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, নাকের হাড় বেড়ে যাওয়া-সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ২০ আগস্ট বিকালে সামসুদ্দোহা কমফোর্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নার্সিং হোম হাসপাতালে চিকিৎসক জাহীর আল আমিনের অধীনে ভর্তি হন। ওই দিন রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে নাকের হাড় অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়। রাত সোয়া একটার দিকে জানানো হয়, সামসুদ্দোহা মারা গেছেন। সামসুদ্দোহার অন্য কোনও শারীরিক জটিলতা ছিল না। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করতেন। অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়ার আগেও তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেছেন।
সামসুদ্দোহার স্ত্রী সায়মা সুলতানা বলেন, সামসুদ্দোহা শিমুল একজন সুস্থ-সবল মানুষ ছিলেন। একটি ছোট অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.