ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় হতাহতের সংখ্যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে। গত শনিবার মধ্যরাতে দেশটির রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালায় মার্কিন সেনারা।
সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ভেনেজুয়েলার এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৮০-তে দাঁড়িয়েছে। নিহতের মধ্যে সেনার পাশাপাশি বেসামরিক মানুষও আছেন।
মাদুরোকে আটকের সময় ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক বোমা হামলা চালায় মার্কিন বিমানবাহিনী।
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের আটকের ঘটনায় ইহুদিবাদীরা পরোক্ষভাবে কাজ করেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের সময় কিউবার সশস্ত্র বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার ৩২ জনকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে কিউবা।
গত ৩ জানুয়ারি মধ্যরাতে রাজধানী কারাকাসে একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে মাদুরো ও স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ধরে নিয়ে যায় মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স।
৩২ সেনা ও গোয়েন্দা নিহতের ঘটনায় কিউবা দুইদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাদুরোর নিরাপত্তার জন্য তারা সেখানে ছিলেন। তাকে আটকের সময় হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।
কিউবার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমাদের দেশপ্রেমিকরা তাদের দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে পূরণ করেছে এবং নিহত হয়েছেন। এর আগে তারা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেন এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে লিপ্ত হন।”
কিউবা ভেনেজুয়েলার শক্তিশালী মিত্র। নিকোলাস মাদুরো যখন ক্ষমতায় আসেন তখন থেকেই তার নিরাপত্তার জন্য কিউবার সেনাদের রাখা হতো। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় কিউবার কতজন সেনা ও গোয়েন্দা মাদুরোর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন সেটি নিশ্চিত নয়। এছাড়া ভেনেজুয়েলার অন্য কোথাও কিউবার সেনারা নিহত হয়েছেন কি না সেটিও নিশ্চিত নয়।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.