জাপান সাগরে দুইটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার মিলিটারি সূত্র জানিয়েছে, পিয়ংইয়ং থেকে সকাল ৭ টা ৫০ মিনিটে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়। যা প্রায় ৯০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে। খবর গণমাধ্যমের।
এক বিবৃতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছেন, তারা যে কোনো প্ররোচনার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ তথ্য বিনিময় চলছে। এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ তৎক্ষণাৎ জরুরি বৈঠক ডেকে জানিয়েছে, এ উৎক্ষেপণ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজল্যুশন লঙ্ঘনের প্ররোচনামূলক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দুইটি ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে একটি ৯০০ কিলোমিটার ও অন্যটি ৯৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে, সর্বোচ্চ উচ্চতা ৫০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপানের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের বাইরে পড়েছে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন আমাদের দেশ ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি, যা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কিমের নির্দেশনা অনুসারে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ চলমান থাকবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিত্র ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ উত্তর কোরিয়াকে এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করেছে।
এদিকে, চীনের রাজধানী বেইজিং সফরে যাচ্ছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং। এ সফরে মূল আলোচ্য বিষয় হবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি। লি জে মিয়ং-এর এ সফরও উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে প্রভাবক হিসেবে কাজ করতে পারে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.